ভালোবাসার সবচেয়ে গোপন জায়গাটা যখন উটে আসে বিস্লেষনী ছকে, অর্থনীতির মৌলিক চাহিদা-সূত্রে তোমার শরীরের ক্ষুধা আর মনের প্রশান্তি দোল খায় বানিজ্যের স্বচ্ছ-অস্বচ্ছ সম্পর্কের দোলাচলে…… তখন হঠাৎ, এই নব্য-নবাবরাই তোমার কাছে অভিজাত কারণ……… তুমি অর্থনীতি অনেক ভালো বোঝ। এই অভিজাত শ্রেণীই চাঙ্গা অর্থনীতির গতি নিয়ণ্থক আভিজাত্য আর অর্থনীতির এই মধুর সম্পক……… তোমাকে তোমার রঙ্গিন আগামীর মনভোলা … Continue reading
গোধূলি অবসরে তোমার নিঃস্বাশ যখন বায়ুমুখী গোয়ালান্দ নম্র পদে সন্ধ্যা আঁধার করি সমর্পন ভালোবাসা বুনো হলেও কি আনবেনা শিহরণ? আমার নিঃস্বাশ আজ উতপ্ত, মাপে নত জল। তুমি যা দেখেছো তাতো সুপ্তকান্ড-রুপ সবই শরীরী আমি হতে চেয়েছিলাম তোমার তপ্ত মরুর দস্যু বেদুঈন আমিতো চাইনি সেই নিষ্টুর দিন-রাত্রি, রুদ্র মহাকাল উর্ধ্ব বাহু, মাতাল শাখায় তবে কেন বর্ষার … Continue reading
তখন সবেমাত্র গোঁফের কালো রেখা নাকের নীচে দেখা দিতে শুরু করেছে। মার হাতের পিটুনি খাবার ভয় উপোশ করে সরাসরি সত্য কথা বলার সাহস তখনও সঞ্চয় করতে পারিনি। বাড়ির চৌসীমানার ভেতর নিজের দুরত্বপনা টিকিয়ে রাখতে মাঝে মাঝে বাড়ির কলাগাছের চেহারার অবস্থা বিকৃত করতাম শুধু। ছকে আঁকা জীবন, বেলা পড়ে যেতে শুরু করলেই তাড়াহুড়ো করে মাঠ হতে … Continue reading
আমরা তখনও জানতে পারি না যে, আমরা নিজেদের অগোচরেই উপেক্ষা করছি নিজেদের অস্তিত্ব, নিজেদের কমজ্ঞান ভূলে নিমগ্ন থাকি ভ্রান্ত মৈথুণে। আমাদের সমস্খ ধ্যান-জ্ঞান জুড়ে উদ্দেশ্যহীন অদৃশ্য গন্তব্যের যাত্রা। আমারা তখনও জানি না কি আমাদের ধর্ম, কি আমাদের কর্ম। কি আমাদের গন্থব্য, কোথায় আমাদের নোঙর। পাল তোলা নৌকার মতো পৃথিবী নামক অথৈ সাগরে আমরা আমাদের জীবন … Continue reading
অতঃপর ভেঙ্গে পড়ে সকল উচ্ছাস আব্রু-আবরণ ফেলে নির্লজ্জ নগ্ন হয়ে সামনে আসে স্বপ্নীল স্বরলিপি। সংকীর্ণতাকে স্পর্শ করে হোচট খেলাম অদৃশ্য বাতাসে বিন্দুর প্রভাব এভাবে রৌদ্রাভ আস্তরণ ঢেকে দেবে যদি জানতাম…….. তাহলে আমিও পেতাম হিরম্ময় রেখায়িত জল। শব্দের চাতুরীতে সম্পর্কের খসড়া রচনা অযথা, অকারণ…… উচ্ছিষ্ট ভ্রুণের দিনলিপি শেষে অবশিষ্ট থাকে শুধু …….. নীল বোতাম….. উদ্ভট ক্ষয়িত … Continue reading
১ এখনও সে গল্প হয়ে ঘুরে বেড়ায়, এই শহরের কালো বাতাসে, কোলাহলে শব্দের ধারাপাতে, নির্লিপ্ত নিরবতার দেয়াল হয়ে। আর আমি আমার সব গল্পের পান্ডুলিপি ছিড়েঁ নিজেকে খুজে বেড়াই তার গল্পের উপসংহারে। ২ অনাদিকাল ধরে চলছে এই চর্চা, শেষের কবিতার বরফ শীতল সৌন্দর্য থেকে রক্তাক্ত ট্রয়- নগরী এই একই আবর্তে চক্রাকার, ইতিহাসের বর্ণীল পাতায় আর আমার … Continue reading
রাত্রি গভীর হলে, বাতাস আরো ভারী হয় রুদ্ধদ্বার, কন্ঠস্বরকে আটকে রাখে মধ্যযুগের গাঢ় অন্ধকারে রুদ্ধশ্বাস এ জীবন বয়ে চলে যন্ত্রণার চিহ্ন ডায়রীর আরো একটি পাতায়, আঁকা হয়ে যায় তোমার জলছবি, শব্দ-অশব্দের বিস্থীর্ণ কলোরবে। প্রত্যুষের লগ্নক্ষণে, তোমার হৃদয়ে অনুরাগ জাগে সমস্থ রাত্রির পরিত্রাণ খোঁজ, অসয্য স্থব্ধতায় একটি সময়ের উদ্বেল আনন্দে, তুমি খুজো বিজয়ী পুরুষ, যার বাহুতে … Continue reading
অদৃশ্য দেবতারা কখনওবা অভাব হয়ে পূর্ন করেন অপূর্ন যন্ত্রনা | মৃত্যুর হীম নৈরাকারে সারা রাত ধরে ভাষা খুজে অনুভবে দিন-ভিখারী ধ্যান হারায় নিরব গর্ভে | থামে বাবা-মার আর্থিক খুনসুটি। নেই বাহুতে রাষ্টের শক্তি, চর্মচক্ষে রক্তিম সূর্য কাঁদে অধিত বিজ্ঞান, সত্য ধর্ম, বিশ্বাসগুলো আজ সূদুর শূন্যে হাসি-ভালোবাসা কখনও ধুলয় করে বিরাজ নব-দম্পতি দাদা-বউদির একান্তে বলা কিছু … Continue reading
আমি তাই চোখ মেলি, অনুভব করি নিজের ভণিতাহীন অকৃএীম অভিব্যক্তি আবিষ্কার করি আমার ভিতর নকল মানুষের ক্রোড়হাসি। শব্দগুলো শব্দই থেকে যায়, হয়না কবিতায় রুপান্তর শুদ্ধ শরীরের আর্তনাদ নিরুপায় উপহাসের বাঁকা হাসিতে বস্তুগত প্রাপ্তির নেশায় মাতাল ঠোট প্রশান্তি খোঁজে, শুয়োরের স্তনে মুগ্ধ চুমুকে। তবুও আমি চোখ মেলি প্রতিটি পাতায় লিখি, না বলা কথার গীতি অসংলগ্ন কারনগুলো … Continue reading