archives

হোসেন মৌলুদ তেজো

This tag is associated with 30 posts

প্রার্থনা তোমার তরে

গোধূলি অবসরে তোমার নিঃস্বাশ যখন বায়ুমুখী গোয়ালান্দ নম্র পদে সন্ধ্যা আঁধার করি সমর্পন ভালোবাসা বুনো হলেও কি আনবেনা শিহরণ? আমার নিঃস্বাশ আজ উতপ্ত, মাপে নত জল। তুমি যা দেখেছো তাতো সুপ্তকান্ড-রুপ সবই শরীরী আমি হতে চেয়েছিলাম তোমার তপ্ত মরুর দস্যু বেদুঈন আমিতো চাইনি সেই নিষ্টুর দিন-রাত্রি, রুদ্র মহাকাল উর্ধ্ব বাহু, মাতাল শাখায় তবে কেন বর্ষার … Continue reading →

বুড়ীর প্রলাপ এবং আবুলের দ্বিতীয় বিয়ে

তখন সবেমাত্র গোঁফের কালো রেখা নাকের নীচে দেখা দিতে শুরু করেছে। মার হাতের পিটুনি খাবার ভয় উপোশ করে সরাসরি সত্য কথা বলার সাহস তখনও সঞ্চয় করতে পারিনি। বাড়ির চৌসীমানার ভেতর নিজের দুরত্বপনা টিকিয়ে রাখতে মাঝে মাঝে বাড়ির কলাগাছের চেহারার অবস্থা বিকৃত করতাম শুধু। ছকে আঁকা জীবন, বেলা পড়ে যেতে শুরু করলেই তাড়াহুড়ো করে মাঠ হতে … Continue reading →

হুজুরের দারবার এবং আবেদের রবিবার

আমরা তখনও জানতে পারি না যে, আমরা নিজেদের অগোচরেই উপেক্ষা করছি নিজেদের অস্তিত্ব, নিজেদের কমজ্ঞান ভূলে নিমগ্ন থাকি ভ্রান্ত মৈথুণে। আমাদের সমস্খ ধ্যান-জ্ঞান জুড়ে উদ্দেশ্যহীন অদৃশ্য গন্তব্যের যাত্রা। আমারা তখনও জানি না কি আমাদের ধর্ম, কি আমাদের কর্ম। কি আমাদের গন্থব্য, কোথায় আমাদের নোঙর। পাল তোলা নৌকার মতো পৃথিবী নামক অথৈ সাগরে আমরা আমাদের জীবন … Continue reading →

উদ্ভট ক্ষয়িত মায়াবী জীবন

অতঃপর ভেঙ্গে পড়ে সকল উচ্ছাস আব্রু-আবরণ ফেলে নির্লজ্জ নগ্ন হয়ে সামনে আসে স্বপ্নীল স্বরলিপি। সংকীর্ণতাকে স্পর্শ করে হোচট খেলাম অদৃশ্য বাতাসে বিন্দুর প্রভাব এভাবে রৌদ্রাভ আস্তরণ ঢেকে দেবে যদি জানতাম…….. তাহলে আমিও পেতাম হিরম্ময় রেখায়িত জল। শব্দের চাতুরীতে সম্পর্কের খসড়া রচনা অযথা, অকারণ…… উচ্ছিষ্ট ভ্রুণের দিনলিপি শেষে অবশিষ্ট থাকে শুধু …….. নীল বোতাম….. উদ্ভট ক্ষয়িত … Continue reading →

উপসংহার

১ এখনও সে গল্প হয়ে ঘুরে বেড়ায়, এই শহরের কালো বাতাসে, কোলাহলে শব্দের ধারাপাতে, নির্লিপ্ত নিরবতার দেয়াল হয়ে। আর আমি আমার সব গল্পের পান্ডুলিপি ছিড়েঁ নিজেকে খুজে বেড়াই তার গল্পের উপসংহারে। ২ অনাদিকাল  ধরে  চলছে  এই  চর্চা, শেষের  কবিতার  বরফ  শীতল  সৌন্দর্য  থেকে  রক্তাক্ত  ট্রয়- নগরী এই  একই  আবর্তে  চক্রাকার,  ইতিহাসের  বর্ণীল  পাতায় আর  আমার … Continue reading →

অকুন্ঠের অজেয় পুরুষ অথবা বাঁশরীয়া রাখাল

রাত্রি গভীর হলে, বাতাস আরো ভারী হয় রুদ্ধদ্বার, কন্ঠস্বরকে আটকে রাখে মধ্যযুগের গাঢ় অন্ধকারে রুদ্ধশ্বাস এ জীবন বয়ে চলে যন্ত্রণার চিহ্ন ডায়রীর আরো একটি পাতায়, আঁকা হয়ে যায় তোমার জলছবি, শব্দ-অশব্দের বিস্থীর্ণ কলোরবে। প্রত্যুষের লগ্নক্ষণে, তোমার হৃদয়ে অনুরাগ জাগে সমস্থ রাত্রির পরিত্রাণ খোঁজ, অসয্য স্থব্ধতায় একটি সময়ের উদ্বেল আনন্দে, তুমি খুজো বিজয়ী পুরুষ, যার বাহুতে … Continue reading →

অসমাপ্ত খোলা চিঠি

আমি তাই চোখ মেলি, অনুভব করি নিজের ভণিতাহীন অকৃএীম অভিব্যক্তি আবিষ্কার করি আমার ভিতর নকল মানুষের ক্রোড়হাসি। শব্দগুলো শব্দই থেকে যায়, হয়না কবিতায় রুপান্তর শুদ্ধ শরীরের আর্তনাদ নিরুপায় উপহাসের বাঁকা হাসিতে বস্তুগত প্রাপ্তির নেশায় মাতাল ঠোট প্রশান্তি খোঁজে, শুয়োরের স্তনে মুগ্ধ চুমুকে। তবুও আমি চোখ মেলি প্রতিটি পাতায় লিখি, না বলা কথার গীতি অসংলগ্ন কারনগুলো … Continue reading →

ভালোবাসার প্রাচীন স্বরলিপি

অলিখিত অস্তিত্বের আবর্তনে বৃত্তাবদ্ব জীবনের চিরন্তন দৃশ্যস্রোত দ্রোহের অভিধানে ভুলে যাওয়া অক্ষরজ্ঞান- নতজানু চোখের দৃষ্টি স্বপ্ন বিভ্রমের ভাঙ্গা কলসি যেন জীবনেরই নির্মমসত্য পান্ডুলিপি। ভবিষ্যতের গন্ধশুকে নিবিড় পাঠে মগ্ন বিধাতার কার্যকলাপ জলই শুধু বুঝে জলের নৃত্য, জলভুমির বিষন্ন প্রলাপ, ক্ষয়িষ্ঞু সময়ের মোহমুক্তি, চেহারায় রেখে যায় দীর্ঘ ক্লান্তির ছাপ জলতৃষ্না ণৃত্য করে, ঘৃনার উৎসবে চলে আরেকটি জীবনের … Continue reading →

অসমাপ্ত শেষ কথা

শেষবেলার সূর্য শিকারী আলোতে বৃষ্টির রঙ খয়েরী সতেজতা হারানো গোলাপের পাপড়ীতে ভালোবাসার অনিহা তিন হাতের টেবিলে তিনশো বছরের দূরত্বের নীরবতা আমার চোখে নাগরীক ফ্রেমের কালো চশমা আর তার চোখে নেশাতুর সলজ্জ কাজলের আঁচড়। আমার মন আড়ি পাতে তার মনের ঘরের ঈশাণ কোনে নীরবতার খেয়ালি অভিসারে ধূপের গন্দ কড়া নাড়ে ঝিমিয়ে পড়া সুপ্ত অনুভুতির ক্রন্দসী সময়ে। … Continue reading →

আত্নউপলব্ধি এবং ফিরে আসা

সম কালের জৈবনিক চাহিদার কাছে ম্রিয়মান প্রাপ্তি, অপ্রাপ্তি, শুদ্ধতা, স্বপ্ন-বিশ্বাস। প্রতিভাসিত রুদ্ধতায় পিষ্ট হচ্ছি আমি তবুও দেখ বউন্ডুলে, লক্ষহীন, উদ্ভাস্তু এই আমার কত দুংসাহস…… এখনও তোমাকে নিয়ে ভাবি, তোমাকে নিয়ে লিখি। তুমি বৃষ্টি ভালোবাসো, পছন্দ কর নগ্ন পায়ে নিরপদ্রব ও কণ-কুহরে প্রবিষ্ট বেঞ্জনময় ধ্বনি আর তাই আমি প্রার্থনা করি বৃষ্ট…… তোমার পদষ্পর্শে মৃত্তিকা যখন হাহাকার … Continue reading →

Archives